
পুরান ঢাকায় যে জঘন্য ঘটেছে, সেটা প্রতিবাদ জানানোর কোন ভাষা নেই। যে ভাবে সোহাগ কে মারা হয়েছে সেটা কোন ভাবেই মানা যায় না। সোহাগ এবং মঈন আলাদা কেউ না। দুই জনই পুরানো ঢাকার ভাঙারী ব্যবসা করত এক সাথে। এক পর্যায়ে সোহাগ মঈনের থেকে আলাদা হয়ে যায় টাকা পয়সার ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে কোন্দলে।
এই মঈন গ্রুপ মাস দুই আগে পুরান ঢাকার বিএনপির নেতা ইসহাক সরকারের ওপর হামলা চালায়। এখনো বলবেন এরা বিএনপির কর্মী?
ফলাফল, সোহাগ হত্যা।
সন্ত্রাসীর কোন দল নেই। সোহাগ মঈনের দল কি? এরা পুরান ঢাকার এই ভাঙ্গারী ব্যাবসা এখন নিয়ন্ত্রনে নেয় নি। সেই আওয়ামীলীগের হাজি সেলিমের আমল থেকে এই ব্যাবসার সাথে যুক্ত। যখন যে ক্ষমতায় আসে তাদের কে ম্যানেজ করেই তারা এই ব্যাবসা সন্ত্রাসী কাজের মধ্যে চালাত। সমস্যা হল সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে কেউ নিহত হলেও তাকে বিএনপির ট্যাগ দেয়া হয়। এই জায়গায় ই আমার আপত্তি।
সোহাগ মঈন ইস্যূ না ইস্যু হল এর সাথে বিএনপি জড়িত কিনা। আজকে দুটো খুনের ঘটনা ঘটেছে একটা কোপানোর ঘটনা।
খুলনায় একজন গুলি করে পরে রগ কেটে হত্যা নিশ্চিত করা হয়েছে।
চাঁদপুরে এক মসজিদের ইমাম কে শাতিমে রাসুল অপবাদ দিয়ে কোপান হয়েছে।
দেখুন ওপরের দুটো ঘটনা কোথাও কোন আলোড়ন তুলে নাই। কিন্তু দুই জন সন্ত্রাসী তাদের বিএনপি তকমা গায়ে চাপিয়ে তাদের হত্যা এবং হত্যাকারীকে হাইলাইটেড করা হচ্ছে। কেন এমন হচ্ছে একবারো ভেবেছেন?
এমন আর খুব বেশি লাগবে না আর দু চারটা হত্যার সাথে বিএনপি তকমা লাগাতে পারলেই নির্বাচন ঠেকানোর জন্য সব রসদ তাদের হাতে চলে আসবে। নির্বাচন অনিশ্চিত।
নির্বাচন না হলে অনেকেই খুশি হন, তাদের জ্ঞাতার্থে স্রেফ একটা পয়েন্ট এই মুহুর্তে বিশ্বের প্রায় সব দেশেই বাংলাদেশের ভিসা বন্ধ। এমনকি থাইল্যান্ডের মত প্রমোদ রাষ্ট্রে। বাকী গুলো আলোচনায়ই না আনি।
ইন্টেরিম সরকারের ওপর অনেক আশা ছিল। এর আগে তত্ত্বাবধায়ক সরকারগুলোর ৩ মাসে দেশ শান্তিতে থাকত। অথচ এই ইন্টেরিম সরকারের আমলে মানুষ অল রেডী উচ্চারন করছে “আগেই তো ভালো ছিলাম!”
আমি কোন খুন জখমের পক্ষে না। এমনকি অতি দূর কানেকশানের জন্য হলেও পুরান ঢাকার বিএনপির নেতারা এর দায় অস্বীকার করতে পারে না। কিন্তু এই সব দু চার টাকা খাওয়া স্থানীয় নেতা দের জন্য দলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রশ্নবিদ্ধ।
কিন্তু সব কিছুর পর একটু ভাবুন এত এত হত্যা খুন আর্মি মাঠে থাকার পরো এই সরকার কেন এভাবে গা ছাড়া দিয়ে চলছে? এরা কি অক্ষম?
আজকে বিএনপির ওপর দায় চাপানোর প্রতিদান সবাইকেই দিতে হবে, দেশে বেকার, হত্যার মহোৎসবে সব দায় চাপিয়ে খুব বেশি লাভ হবে না। বড় জোর নির্বাচন পেছানোর পায়তাড়া তুলতে পারবেন। কিন্তু তারপর?
অন-লাইন একটিভিস্ট,লেখক,রাজনীতিবীদ
শোভন রেজাউনুল হক
Post Views: ২০০
নিউজ ডেস্ক
ভারতের সঙ্গে নতুন অধ্যায়ের সম্পর্ক গড়তে আগ্রহী বিএনপি: তারেক রহমান
সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে দেশজুড়ে যৌথ অভিযানে ৮ দিনে আটক ১৭১, উদ্ধার বিপুল অস্ত্র ও মাদক
ঢাকা-১৭ আসনকে ঘিরে বিএনপির প্রস্তুতি: নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়ে তারেক রহমান
হাদি হত্যাকাণ্ডে আওয়ামী লীগ কাউন্সিলরের নাম, পলাতক শুটারসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট
“তোমরাই আমাদের মিডিয়া”—দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়ার সেই অমলিন স্মৃতি
হত্যার মহোৎসবে সব দায় চাপিয়ে খুব বেশি লাভ হবে না
পুরান ঢাকায় যে জঘন্য ঘটেছে, সেটা প্রতিবাদ জানানোর কোন ভাষা নেই। যে ভাবে সোহাগ কে মারা হয়েছে সেটা কোন ভাবেই মানা যায় না। সোহাগ এবং মঈন আলাদা কেউ না। দুই জনই পুরানো ঢাকার ভাঙারী ব্যবসা করত এক সাথে। এক পর্যায়ে সোহাগ মঈনের থেকে আলাদা হয়ে যায় টাকা পয়সার ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে কোন্দলে।
এই মঈন গ্রুপ মাস দুই আগে পুরান ঢাকার বিএনপির নেতা ইসহাক সরকারের ওপর হামলা চালায়। এখনো বলবেন এরা বিএনপির কর্মী?
ফলাফল, সোহাগ হত্যা।
সন্ত্রাসীর কোন দল নেই। সোহাগ মঈনের দল কি? এরা পুরান ঢাকার এই ভাঙ্গারী ব্যাবসা এখন নিয়ন্ত্রনে নেয় নি। সেই আওয়ামীলীগের হাজি সেলিমের আমল থেকে এই ব্যাবসার সাথে যুক্ত। যখন যে ক্ষমতায় আসে তাদের কে ম্যানেজ করেই তারা এই ব্যাবসা সন্ত্রাসী কাজের মধ্যে চালাত। সমস্যা হল সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে কেউ নিহত হলেও তাকে বিএনপির ট্যাগ দেয়া হয়। এই জায়গায় ই আমার আপত্তি।
সোহাগ মঈন ইস্যূ না ইস্যু হল এর সাথে বিএনপি জড়িত কিনা। আজকে দুটো খুনের ঘটনা ঘটেছে একটা কোপানোর ঘটনা।
খুলনায় একজন গুলি করে পরে রগ কেটে হত্যা নিশ্চিত করা হয়েছে।
চাঁদপুরে এক মসজিদের ইমাম কে শাতিমে রাসুল অপবাদ দিয়ে কোপান হয়েছে।
দেখুন ওপরের দুটো ঘটনা কোথাও কোন আলোড়ন তুলে নাই। কিন্তু দুই জন সন্ত্রাসী তাদের বিএনপি তকমা গায়ে চাপিয়ে তাদের হত্যা এবং হত্যাকারীকে হাইলাইটেড করা হচ্ছে। কেন এমন হচ্ছে একবারো ভেবেছেন?
এমন আর খুব বেশি লাগবে না আর দু চারটা হত্যার সাথে বিএনপি তকমা লাগাতে পারলেই নির্বাচন ঠেকানোর জন্য সব রসদ তাদের হাতে চলে আসবে। নির্বাচন অনিশ্চিত।
নির্বাচন না হলে অনেকেই খুশি হন, তাদের জ্ঞাতার্থে স্রেফ একটা পয়েন্ট এই মুহুর্তে বিশ্বের প্রায় সব দেশেই বাংলাদেশের ভিসা বন্ধ। এমনকি থাইল্যান্ডের মত প্রমোদ রাষ্ট্রে। বাকী গুলো আলোচনায়ই না আনি।
ইন্টেরিম সরকারের ওপর অনেক আশা ছিল। এর আগে তত্ত্বাবধায়ক সরকারগুলোর ৩ মাসে দেশ শান্তিতে থাকত। অথচ এই ইন্টেরিম সরকারের আমলে মানুষ অল রেডী উচ্চারন করছে “আগেই তো ভালো ছিলাম!”
আমি কোন খুন জখমের পক্ষে না। এমনকি অতি দূর কানেকশানের জন্য হলেও পুরান ঢাকার বিএনপির নেতারা এর দায় অস্বীকার করতে পারে না। কিন্তু এই সব দু চার টাকা খাওয়া স্থানীয় নেতা দের জন্য দলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রশ্নবিদ্ধ।
কিন্তু সব কিছুর পর একটু ভাবুন এত এত হত্যা খুন আর্মি মাঠে থাকার পরো এই সরকার কেন এভাবে গা ছাড়া দিয়ে চলছে? এরা কি অক্ষম?
আজকে বিএনপির ওপর দায় চাপানোর প্রতিদান সবাইকেই দিতে হবে, দেশে বেকার, হত্যার মহোৎসবে সব দায় চাপিয়ে খুব বেশি লাভ হবে না। বড় জোর নির্বাচন পেছানোর পায়তাড়া তুলতে পারবেন। কিন্তু তারপর?
অন-লাইন একটিভিস্ট,লেখক,রাজনীতিবীদ
শোভন রেজাউনুল হক
মন্তব্য করুন
শিরোনাম
ঢাকা মহানগর উত্তর জিয়া সাইবার ফোর্সের ৬৮ সদস্যের কমিটি অনুমোদন
ভোটের আগেই ক্ষমা ও প্রতিশ্রুতি—ঢাকা-১৮ আসনে ব্যতিক্রমী প্রচারে বিএনপি প্রার্থী
নির্বাচন ঘিরে আইনশৃঙ্খলা ও কূটনীতি নিয়ে সরকারের ব্যর্থতার অভিযোগ মির্জা ফখরুলের
বাংলাদেশের ম্যাচ আয়োজন করতে চায় পাকিস্তান, বিশ্বকাপে নতুন ভেন্যুর সম্ভাবনা
ঢাকায় আকাশে মেঘের আনাগোনা, দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমার ইঙ্গিত
ভারতের সঙ্গে নতুন অধ্যায়ের সম্পর্ক গড়তে আগ্রহী বিএনপি: তারেক রহমান